সেই ভূমি আত্মসাতের নিকৃষ্ট রাজনীতি এই কাহিনির মূল পরিকল্পনা। রাজা লক্ষ্মণ বৃদ্ধবয়সে রাজসিংহাসনে আরোহণ করে শিল্প-সাহিত্য এবং যৌনাচারে মগ্ন ছিলেন। তাঁর নামে রাজ্য শাসন করতেন রাজমহিষী বল্লভা এবং তাঁর সহোদর কুমারদত্ত। কবি হলায়ুধ মিশ্র ছিলেন বল্লভা ও কুমারদত্তের নিকটজন। ভূস্বামী হলায়ুধ রাজপরিবারের বলে বলীয়ান হয়ে বেনের চারপাটক ভূমি হরণ করতে চেয়েছিলেন। কেবলমাত্র হলায়ুধ নন
সুর ও চোখের জল নিয়ে লেখা এ বই।
কুবের-কপিলারা অঞ্চল নিরপেক্ষভাবেই স্বতন্ত্র ও সর্বব্যাপ্ত
তেমনি তাঁর বিচিত্র চিত্রসম্ভারের দিক থেকেও। বাল্যজীবনে অঙ্কনশিল্পে হাতেখড়ি হলেও প্রৌঢ়ত্বে-বার্ধক্যে পৌছে তাঁর পূর্ণতর রূপ দিয়েছেন তিনি। সাহিত্য রচনাকালে খাতার বুকে আঁকিবুকির হিসাব বাদ দিলেও প্রায় আড়াই হাজারের মতো ছবি এঁকেছেন তিনি। তাঁর জীবদ্দশায় ১৯৩০-এর মে মাসে সেই যে প্যারিসে চিত্রপ্রদর্শনীর সূত্রপাত
তা প্রকাশ করতে গিয়েই তিনি লিখে ফেলেন ব্যতিক্রমী কিছু ম্যাজিক-কাব্য। ‘গোল্লা’ তেমনই এক মন্ত্রগর্ভ কাব্যগ্রন্থ। বস্তুত কবিতা-বইটির একটি কবিতার শিরোনামও ‘বাজিকর”। 'ঘুমায় আমার শব ডুবে-ডুবে/ জল নয়
শতগানের গানমেলা বিভাস সেন সেই ভূমি আত্মসাতের নিকৃষ্ট রাজনীতিSataganer Ganmela : : 416 , , , , , , , , , , , , , , , , (cm) : 15 (l) X 20 (b) X 2. 5 (h)